ভালোবাসা দিন কতটা রঙিন
পর্ব ২১
লেখা: Meherab Kabbo
প্রীতমের মা ঘর থেকে বাহিরে গেলো। ফোনটা বের করে কল দিলো ফোনটা রিসিভ করতেই
- রিজভী ব্যস্ত বাসায় আই।
- কেন আন্টি দরকার খুব?
- প্রীতমের কাঁপুনি উঠছে।
রিজভী অবাক হয়ে
- হোয়াইট। আমাকে আরো আগে ইনফর্ম করা প্রয়োজন ছিলো।
ফোনটা কেটে দিলো। প্রীতমের মা রুমে যেয়ে দেখলো প্রীতমের কাঁপুনি বেড়ে গেছে আরো। প্রিয়ন্তি পাশে ঝিমাচ্ছে। প্রীতমের মা লক্ষ্য করলে ও কিছু বললো না। প্রীতমের মা প্রিয়ন্তি কে বললো
- বউ মা তুমি আমার রুমে যেয়ে ঘুমাও। আর তোমার শশুরকে পাঠাই দেও।
- ঠিক আছে।
প্রিয়ন্তি উঠে চলে যায়। প্রীতমের মা অবাক হয়ে গেলো। ভাবছিলো বলবে থাকি ওর পাশে। কিন্তু না চলে গেলো। হায় রে প্রীতম। প্রিয়ন্তি প্রীতমের বাবাকে যেয়ে বললে ছুটে আসে। কিছুক্ষণের ভেতর রিজভী গাড়ি নিয়ে চলে আসে। রিজভী কে দেখে ভাবিরা ছুটে এলো। রিজভীর পিছু পিছু সবাই প্রীতমের রুমে এসে অবাক হয়ে গেলো। রিজভী প্রীতমের অবস্থা দেখে রাগান্বিত কন্ঠে
- ছেলেটাকে কি মেরে ফেলবেন।
রিজভী প্রীতমকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। কাউকে নেয় না। গাড়ি নিয়ে সোজা হাসপাতালে। প্রীতমের বাবা মা ভাবিরা অন্য গাড়ি নিয়ে হাসপাতালের দিকে ছুটলো।
পিহু মনে মনে অনেক খুশি হলো। কিন্তু প্রিয়ন্তিকে দেখছি না। ও গেলো কই। পিহু রুমে যেয়ে দেখলো প্রিয়ন্তি নেই। তাহলে কি প্রিয়ন্তি সাথে চলে গেছে। ওকে তো দেখলাম না। রুমে ও নেই। তাহলে গেছে। দেখি ঐদিক টাই যায়।
কিছুক্ষণের ভেতর প্রীতমের মা বাবা ভাবিরা হাসপাতালে পৌঁছে গেলো। রিজভী বেড থেকে বের হলে প্রীতমের বাবা বললো
- বাবা রিজভী প্রীতম।
- চিন্তার কোনো কারণ নেই। ইনজেকশন দিয়ে দিছি কাঁপুনি কমে গেছে। এখন ঘুমাচ্ছে। সকালের ভেতর সব ঠিক হয়ে যাবে।
প্রীতমের মা কান্না করে দিলো৷ রিজভী বললো
- আপনার উচিত ছিলো আরো আগে আমাকে জানানো। কি হয়েছিলো বলেন তো?
প্রীতমের বাবা সবটা বললো। রিজভী অবাক হয়ে
- আমি না হয় বাইরে ছিলাম। আমাকে তো একটা বার জানানো উচিৎ ছিলো। আমার ডাক্তার কে তো পাঠাই দিতাম। এতোটা কষ্ট প্রীতমকে পেতে হতো না।
- তুই ওর বিয়েতে আছিস নি কেন? তাই ও রাগ করে মানা করছে।
- তাই বলে ওমন টা করবে। ওর বউ কোথায়?
প্রীতমের মা থ ম খেয়ে
- বউ মার ও শরীর ভালো নেই। ওকে রেস্ট নিতে বলছি।
- ওর বউ ঠিক আছে তো।
- হ্যা আছে।
- ঠিক আছে। আমি একটু বের হচ্ছি কিছুক্ষণের ভেতর চলে আসবো।
রিজভী চলে গেলো। দেখতে দেখতে সকাল হয়ে গেলো।
![]() |
| ভালোবাসা দিন কতটা রঙিন পর্ব ২১ |
প্রিয়ন্তি সকালে ঘুম থেকে উঠে রুম থেকে বের হয়। পিহু প্রিয়ন্তিকে দেখে
- তুমি এখানে।
প্রিয়ন্তি অবাক হয়ে
- কেন?
- তুমি কিছু জানো না।
- না তো।
- প্রীতমকে নিয়ে হাসপাতালে গেছে। কি অবস্থা কে জানে?
- নিয়ে গেছে ভালো কথা সুস্থ হলে চলে আসবে।
প্রিয়ন্তি চলে যায়৷ পিহু শয়তানি একটা হাসি দিয়ে
- তুমি এতো সহজে আমার পথে পা দিবে বুঝতে পারি নি। খেলাটা জমবে ভালো।
হাসপাতালে বেডে উপর ভাবিরা ঝিমাচ্ছে। প্রীতমের মা প্রীতমের বাবা কে বললো
- তুমি ওদের নিয়ে বাসায় যাও। আমি প্রীতমের কাছে আছি।
- না ওর ঙ্গান ফিরুক তারপর।
- বাসায় মেহমান আসবে ওদের দিকটা সামলাতে হবে তো। ওদের নিয়ে আমি প্রীতম কে নিয়ে আসবানি।
প্রীতমের বাবা কিছু একটা চিন্তা করে চলে গেলো হাসপাতাল থেকে ভাবিদের নিয়ে।
রিজভী কেবিনে ঢুকে
- এখনো ঙ্গান ফিরে নি।
- না।
রিজভী প্রীতমের হাতটা ধরে দেখলো। চোখ টেনে দেখে
- আর কিছুক্ষণের ভেতর ঙ্গান ফিরে আসবে।
একজন নার্স খাবার নিয়ে বেডে ঢুকলো। রিজভী রাখতে বললো। নার্স খাবার রেখে চলে গেলো। রিজভী বললো
- আন্টি কিছু খেয়ে নেন অনেক বেলা হলো।
- না বাবা। কিছু খেতে ইচ্ছা করছে না।
- আন্টি চিন্তার কোনো কারণ নেই। খেয়ে নিন।
রিজভী জোর করাতে প্রীতমের মা খাবার খেলো।
ভাবিরা বাসায় চলে আসলো। প্রিয়ন্তি নিজের রুমে শুয়ে আছে। ভাবি একজন এসে
- শান্তি পেয়েছো তো।
প্রিয়ন্তি তাড়াহুড়ো করে লাফিয়ে উঠলো। থ ম খেয়ে
- ম ম ম ম মানে।
- একটা কথা মাথায় রাখবা অন্যের কথা শুনে নিজের সংসারে আগুন জ্বালানো ঠিক না। সত্য মিথ্যা যাচাই করে তারপর আগুন জ্বালিয়ো।
প্রিয়ন্তি ভয় পেয়ে যায়। ভাবি আর কিছু না বলে চলে গেলো। প্রিয়ন্তি মাথায় গতকালকের রাতের কথা ভাবছে আর ভাবছে প্রীতমের কথা। প্রীতম যদি মারতে চাইতো তাহলে তো ও আমাকে সরিয়ে দিতে পারতো তাহলে কেন উঠালো ঐ লোকটা ও তো মিথ্যা বলবে। নাকি ভাবি অন্যকিছু বলছে। কোনো কারণ তো আছে। নাকি আবার নাটক শুরু করছে। ওরা যদি নাটক শুরু করতে পারে আমি কেন পারবো না। প্রীতমকে ওর ভূলের শাস্তি পেতে হবে।
ঘরের বাহিরে প্রীতমের বাবা দাঁড়িয়ে
- আসবো বউ মা।
- হ্যা বাবা আসুন।
প্রীতমের বাবা ঘরে ঢুকে
- তোমার বাসা থেকে ফোন দিছিলো কি কেউ?
- না৷ কেন?
- তারা কখন আসবে সঠিক টাইমটা যদি জানতে ভালো হতো।
- ঠিক আছে বাবা। আমি শুনছি।
প্রীতমের বাবা চলে যেতে যেয়ে থমকে দাঁড়ায়। প্রিয়ন্তি প্রীতমের কথা কিছু জিঙ্গেস করলো না কেন? ও কি জানে না নাকি। প্রীতমের বাবা রুম থেকে বেরিয়ে যায়।
দুপুর ৩ টাই প্রিয়ন্তির বাসার সব লোকজন চলে আসলো। রিয়া অভি মিমি রাজ সবাই এক টেবিলে বসলো। মিমি উঠে যেয়ে প্রিয়ন্তিকে নিয়ে এসে বসালো। রিয়া বললো
- আপু প্রিয়ন্তির জামাই কই দেখছি না তো।
- হ্যা ঠিকি বলছো। এই প্রিয়ন্তি প্রীতম কই।
প্রিয়ন্তির মুখটা শুকনো হয়ে যায়৷ কিছু বলে না। এর ভেতর প্রীতমের বাবা এসে
- তোমাদের অসুবিধা হচ্ছে না তো ।
মিমি বললো
-না আঙ্কেল ঠিক আছে।
- সমস্যা হলে আমাকে বইলো।
- ঠিক আছে।
প্রীতমের বাবা চলে যেতে লাগছিলো তখন রাজ বললো
- আঙ্কেল প্রীতম কোথায়? ওকে তো দেখছি না। আমাদের সাথে দেখা ও করলো না।
- ওও প্রীতম তো হাসপাতালে।
সবার খাওয়া জেনো বন্ধ হয়ে গেলো। সবাই অবাক হয়ে গেলো। মিমি বললো
- হাসপাতালে মানে
প্রীতমের বাবা সবকিছু বললো৷ মিমি প্রিয়ন্তির দিকে তাকাচ্ছে বার বার। প্রিয়ন্তি মাথা নিচু করে আছে। মিমি শরীর রাগে জ্বলে যাচ্ছে। প্রিয়ন্তির হাত ধরে টেনে বাহিরে একপাশ দাঁড় করিয়ে ঠাস করে প্রিয়ন্তির গালে চড় বসিয়ে দেয়.............
( waiting for next part.........)
কেমন লাগছে গল্পটা। গল্পটা বেশি বড় করবো না। ৩ থেকে ৪ পর্বের ভেতর গল্পটা শেষ করে দিবো।
- তুমি এখানে।
প্রিয়ন্তি অবাক হয়ে
- কেন?
- তুমি কিছু জানো না।
- না তো।
- প্রীতমকে নিয়ে হাসপাতালে গেছে। কি অবস্থা কে জানে?
- নিয়ে গেছে ভালো কথা সুস্থ হলে চলে আসবে।
প্রিয়ন্তি চলে যায়৷ পিহু শয়তানি একটা হাসি দিয়ে
- তুমি এতো সহজে আমার পথে পা দিবে বুঝতে পারি নি। খেলাটা জমবে ভালো।
হাসপাতালে বেডে উপর ভাবিরা ঝিমাচ্ছে। প্রীতমের মা প্রীতমের বাবা কে বললো
- তুমি ওদের নিয়ে বাসায় যাও। আমি প্রীতমের কাছে আছি।
- না ওর ঙ্গান ফিরুক তারপর।
- বাসায় মেহমান আসবে ওদের দিকটা সামলাতে হবে তো। ওদের নিয়ে আমি প্রীতম কে নিয়ে আসবানি।
প্রীতমের বাবা কিছু একটা চিন্তা করে চলে গেলো হাসপাতাল থেকে ভাবিদের নিয়ে।
রিজভী কেবিনে ঢুকে
- এখনো ঙ্গান ফিরে নি।
- না।
রিজভী প্রীতমের হাতটা ধরে দেখলো। চোখ টেনে দেখে
- আর কিছুক্ষণের ভেতর ঙ্গান ফিরে আসবে।
একজন নার্স খাবার নিয়ে বেডে ঢুকলো। রিজভী রাখতে বললো। নার্স খাবার রেখে চলে গেলো। রিজভী বললো
- আন্টি কিছু খেয়ে নেন অনেক বেলা হলো।
- না বাবা। কিছু খেতে ইচ্ছা করছে না।
- আন্টি চিন্তার কোনো কারণ নেই। খেয়ে নিন।
রিজভী জোর করাতে প্রীতমের মা খাবার খেলো।
ভাবিরা বাসায় চলে আসলো। প্রিয়ন্তি নিজের রুমে শুয়ে আছে। ভাবি একজন এসে
- শান্তি পেয়েছো তো।
প্রিয়ন্তি তাড়াহুড়ো করে লাফিয়ে উঠলো। থ ম খেয়ে
- ম ম ম ম মানে।
- একটা কথা মাথায় রাখবা অন্যের কথা শুনে নিজের সংসারে আগুন জ্বালানো ঠিক না। সত্য মিথ্যা যাচাই করে তারপর আগুন জ্বালিয়ো।
প্রিয়ন্তি ভয় পেয়ে যায়। ভাবি আর কিছু না বলে চলে গেলো। প্রিয়ন্তি মাথায় গতকালকের রাতের কথা ভাবছে আর ভাবছে প্রীতমের কথা। প্রীতম যদি মারতে চাইতো তাহলে তো ও আমাকে সরিয়ে দিতে পারতো তাহলে কেন উঠালো ঐ লোকটা ও তো মিথ্যা বলবে। নাকি ভাবি অন্যকিছু বলছে। কোনো কারণ তো আছে। নাকি আবার নাটক শুরু করছে। ওরা যদি নাটক শুরু করতে পারে আমি কেন পারবো না। প্রীতমকে ওর ভূলের শাস্তি পেতে হবে।
ঘরের বাহিরে প্রীতমের বাবা দাঁড়িয়ে
- আসবো বউ মা।
- হ্যা বাবা আসুন।
প্রীতমের বাবা ঘরে ঢুকে
- তোমার বাসা থেকে ফোন দিছিলো কি কেউ?
- না৷ কেন?
- তারা কখন আসবে সঠিক টাইমটা যদি জানতে ভালো হতো।
- ঠিক আছে বাবা। আমি শুনছি।
প্রীতমের বাবা চলে যেতে যেয়ে থমকে দাঁড়ায়। প্রিয়ন্তি প্রীতমের কথা কিছু জিঙ্গেস করলো না কেন? ও কি জানে না নাকি। প্রীতমের বাবা রুম থেকে বেরিয়ে যায়।
দুপুর ৩ টাই প্রিয়ন্তির বাসার সব লোকজন চলে আসলো। রিয়া অভি মিমি রাজ সবাই এক টেবিলে বসলো। মিমি উঠে যেয়ে প্রিয়ন্তিকে নিয়ে এসে বসালো। রিয়া বললো
- আপু প্রিয়ন্তির জামাই কই দেখছি না তো।
- হ্যা ঠিকি বলছো। এই প্রিয়ন্তি প্রীতম কই।
প্রিয়ন্তির মুখটা শুকনো হয়ে যায়৷ কিছু বলে না। এর ভেতর প্রীতমের বাবা এসে
- তোমাদের অসুবিধা হচ্ছে না তো ।
মিমি বললো
-না আঙ্কেল ঠিক আছে।
- সমস্যা হলে আমাকে বইলো।
- ঠিক আছে।
প্রীতমের বাবা চলে যেতে লাগছিলো তখন রাজ বললো
- আঙ্কেল প্রীতম কোথায়? ওকে তো দেখছি না। আমাদের সাথে দেখা ও করলো না।
- ওও প্রীতম তো হাসপাতালে।
সবার খাওয়া জেনো বন্ধ হয়ে গেলো। সবাই অবাক হয়ে গেলো। মিমি বললো
- হাসপাতালে মানে
প্রীতমের বাবা সবকিছু বললো৷ মিমি প্রিয়ন্তির দিকে তাকাচ্ছে বার বার। প্রিয়ন্তি মাথা নিচু করে আছে। মিমি শরীর রাগে জ্বলে যাচ্ছে। প্রিয়ন্তির হাত ধরে টেনে বাহিরে একপাশ দাঁড় করিয়ে ঠাস করে প্রিয়ন্তির গালে চড় বসিয়ে দেয়.............
( waiting for next part.........)
কেমন লাগছে গল্পটা। গল্পটা বেশি বড় করবো না। ৩ থেকে ৪ পর্বের ভেতর গল্পটা শেষ করে দিবো।

Leave a Comment